গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন টিপস 2024
গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার জন্য আপনার ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেল অবশ্যই গুগলের নীতিমালা মেনে চলতে হবে। নিচে অ্যাডসেন্স অনুমোদন পেতে সহায়ক কিছু টিপস দেওয়া হলো
১. কনটেন্টের মান বজায় রাখুন
অরিজিনাল এবং ইউনিক কনটেন্ট- কপিরাইট করা বা অন্য জায়গা থেকে কপি করা কনটেন্ট এড়িয়ে চলুন।
- প্রতিটি আর্টিকেল কমপক্ষে ৫০০-৭০০ শব্দের হওয়া উচিত।
- সহজ ভাষায় লিখুন এবং গ্রামার ও বানানে কোনো ভুল রাখবেন না।
২. ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং নেভিগেশন
- পরিষ্কার ও পেশাদার ডিজাইন:
ওয়েবসাইটটি এমনভাবে ডিজাইন করুন যাতে ব্যবহারকারীরা সহজে নেভিগেট করতে পারে। - মোবাইল ফ্রেন্ডলি:
ওয়েবসাইট অবশ্যই মোবাইল ডিভাইসের জন্য রেসপন্সিভ হতে হবে। - ফাস্ট লোডিং টাইম:
ওয়েবসাইট দ্রুত লোড হয় কিনা তা নিশ্চিত করুন।
৩. গুরুত্বপূর্ণ পেজ সংযোজন করুন
গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদনের জন্য আপনার ওয়েবসাইটে নিচের পেজগুলো থাকা জরুরি:
- About Us: ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ।
- Contact Us: যোগাযোগের জন্য আপনার ইমেল, ফোন বা ফর্ম।
- Privacy Policy: ব্যবহারকারীর তথ্য কীভাবে ব্যবহৃত হবে তা ব্যাখ্যা করা।
- Terms and Conditions: সাইটের ব্যবহারের নিয়মাবলী।
৪. পর্যাপ্ত কনটেন্ট তৈরি করুন
- ওয়েবসাইটে কমপক্ষে ১৫-২০টি ভালো মানের পোস্ট বা পৃষ্ঠা থাকা উচিত।
- প্রতিটি পোস্টে কনটেন্টের গুণগত মান নিশ্চিত করুন এবং একই বিষয়ের পুনরাবৃত্তি এড়িয়ে চলুন।
৫. সঠিক ট্রাফিক আনার চেষ্টা করুন
- ওয়েবসাইটে জেনুইন ভিজিটর আনুন।
- সোশ্যাল মিডিয়া, SEO এবং কন্টেন্ট মার্কেটিং ব্যবহার করে ট্রাফিক বৃদ্ধি করুন।
- কোনোভাবেই বট ট্রাফিক ব্যবহার করবেন না।
৬. গুগলের নীতি মেনে চলুন
- কোনো অবৈধ, অশ্লীল বা আপত্তিকর কনটেন্ট পোস্ট করবেন না।
- ক্লিকবেট শিরোনাম এড়িয়ে চলুন।
- আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন বা লিঙ্ক স্প্যাম করবেন না।
৭. গুগল সার্চ কনসোল এবং অ্যানালিটিক্স ইন্টিগ্রেশন করুন
- ওয়েবসাইটকে গুগল সার্চ কনসোলে ভেরিফাই করুন।
- গুগল অ্যানালিটিক্স ব্যবহার করে ট্রাফিক ডেটা ট্র্যাক করুন।
৮. ডোমেইন এবং হোস্টিং
- একটি কাস্টম ডোমেইন (যেমন .com, .net) ব্যবহার করুন।
- ভালো মানের হোস্টিং প্রোভাইডার বেছে নিন যা ডাউনটাইম কম এবং দ্রুত সার্ভিস দেয়।
৯. অ্যাডসেন্স অ্যাপ্লাই করার সঠিক সময় বেছে নিন
- ওয়েবসাইট কমপক্ষে ৩-৬ মাস পুরানো হওয়া উচিত (কিছু অঞ্চলে বাধ্যতামূলক)।
- পর্যাপ্ত কনটেন্ট এবং ভিজিটর থাকার পরেই অ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করুন।
১০. পুনরায় চেষ্টা করুন
যদি প্রথমবার অ্যাপ্লিকেশন রিজেক্ট হয়, তবে সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধান করুন এবং পুনরায় আবেদন করুন।
এই টিপসগুলো অনুসরণ করলে গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে। যদি কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা বা প্রশ্ন থাকে, জানাতে পারেন।

0 Comments